রাজশাহী শহর থেকে পূর্ব দিকে মাত্র চল্লিশ-পঞ্চাশ মিনিটের পথ পেরোলেই পুঠিয়া। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পাশে এই ছোট্ট জনপদে একসঙ্গে এতগুলো ঐতিহাসিক মন্দির আছে, যা বাংলাদেশের আর কোথাও নেই। শিব সাগর নামের বিশাল দিঘির পাড়ে সবুজ লন ঘেরা চত্বরে দাঁড়িয়ে আছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, দেশের বৃহত্তম শিব মন্দির, গোপাল মন্দির, দোলমঞ্চ আর পুঠিয়ার রাজাদের রাজবাড়ি। প্রতিটি স্থাপনার দেয়ালে পোড়ামাটির অসংখ্য ফলক, যেখানে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি থেকে শুরু করে পুরাণের নানা উপাখ্যান খোদাই করা। ইতিহাস, স্থাপত্য আর গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশ একসঙ্গে পেতে চাইলে পুঠিয়া একদিনের ভ্রমণের জন্য আদর্শ গন্তব্য।
কেন যাবেন
পুঠিয়া মন্দির চত্বর বাংলাদেশের বৃহত্তম ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির সমাহার হিসেবে পরিচিত। পুঠিয়ার হিন্দু জমিদার রাজারা ছিলেন রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত দানশীল ব্যক্তিত্ব, তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় ষোড়শ শতক থেকে ধাপে ধাপে এই মন্দিরগুলো নির্মিত হয়। ফলে এখানে এক জায়গায় দেখা যায় বাংলার মন্দির স্থাপত্যের নানা ধারা: পঞ্চরত্ন, চারচালা, দোচালা, জোড়বাংলা ধাঁচের সঙ্গে মুঘল ও ইউরোপীয় প্রভাবের মিশ্রণ। স্থাপত্যপ্রেমীদের কাছে এটি যেন একটি উন্মুক্ত জাদুঘর। ধর্মীয় গুরুত্বও কম নয়। শারদীয় দুর্গাপূজা, কালীপূজা আর জন্মাষ্টমীর সময় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবে মন্দির চত্বর প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। শুধু মন্দির দেখা নয়, দিঘির পাড়ে বসে বিকেল কাটানো, গ্রামের মানুষের সঙ্গে কথা বলা, সব মিলিয়ে পুঠিয়া ভ্রমণ শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ করে দেয়।
পুঠিয়ার জমিদারির ইতিহাসও কম চমকপ্রদ নয়। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে, সপ্তদশ শতকের গোড়ায়, পুঠিয়ার প্রথম জমিদার রাজা উপাধি পান, তখন থেকেই এই বংশের প্রতিপত্তির শুরু। ১৭৪৪ সালে জমিদারি চার ভাগে ভাগ হয়ে যায়, যার মধ্যে পাঁচ আনি ও চার আনি অংশ বিশেষ বিখ্যাত হয়। আজকের দোতলা রাজবাড়িটি ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী তার শাশুড়ি মহারানী শরৎসুন্দরী দেবীর স্মরণে নির্মাণ করেন। ইন্দো-সারাসেনিক রীতির এই প্রাসাদ প্রায় ৪ দশমিক ৩১ একর জমির ওপর দাঁড়িয়ে, চারদিকে পরিখা ঘেরা, ভেতরে চারটি উঠান: কাছারি আঙিনা, মন্দির আঙিনা বা গোবিন্দবাড়ি আর অন্দরমহল। পুঠিয়ার রানীরা দানশীলতার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। হেমন্তকুমারী রাজশাহী শহরে বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা, সংস্কৃত কলেজ ও হিন্দু ছাত্রাবাস প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে রাজবাড়িতে পুঠিয়া ও আশপাশের ইতিহাস নিয়ে একটি ছোট জাদুঘর আছে।
কী কী দেখবেন
চত্বরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থাপনা পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির। পাঁচটি চূড়াবিশিষ্ট এই মন্দিরের দেয়ালজুড়ে টেরাকোটার বিশাল সংগ্রহ, ফলকগুলোতে খোদাই করা আছে হিন্দু পুরাণের নানা কাহিনি, যার শিল্পমান ও বর্ণনাধর্মিতা অসাধারণ। এরপর দেখুন শিব মন্দির, যেটি বাংলাদেশের বৃহত্তম শিব মন্দির হিসেবে পরিচিত। প্রবেশপথের ডান দিকে দোতলা গোপাল মন্দির, অন্য মন্দিরগুলোর মতো এতে টেরাকোটা অলংকরণ নেই, কিন্তু এর সরল গঠনই আলাদা সৌন্দর্য দেয়। পাশেই ছোট গোবিন্দ মন্দির বা চারচালা গোবিন্দ মন্দির, তিন খিলানপথের প্রবেশমুখ আর টেরাকোটার কারুকাজে সমৃদ্ধ, সম্ভবত ঊনবিংশ শতকের শেষ দিকে নির্মিত। বড় আন্নিক মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী অবিভক্ত বাংলায় আর কোথাও নেই বলে মনে করা হয়: মাঝের অংশ দোচালা, দুই পাশে চারচালা কাঠামো, পুরো সম্মুখভাগ টেরাকোটায় মোড়া। উৎসবের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহৃত দোলমন্দিরও দেখার মতো। চত্বরের অংশ পুঠিয়া রাজবাড়ি বা রাজাদের প্রাসাদ, আর মন্দিরগুলো সাজানো আছে শিব সাগর দিঘিকে ঘিরে, সামনে বিস্তীর্ণ সবুজ লন। চত্বরের ভেতরে একটি ছোট জাদুঘর আছে, যেখানে এই অঞ্চলে উদ্ধার হওয়া প্রত্নবস্তু সংরক্ষিত, সেটি দেখতে অতিরিক্ত এক ঘণ্টা রাখুন।
প্রতিটি মন্দিরেরই আলাদা গল্প আছে। রাজবাড়ির সামনের খোলা মাঠ পেরিয়ে দোলমন্দির, ১৭৭৮ সালে ভুবনেন্দ্র নারায়ণের নির্মিত চারতলা এই স্থাপনা পুঠিয়া বাজারের ওপর মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। প্রতিটি তলা ধাপে ধাপে ছোট হয়েছে: প্রথম তলায় প্রতি দিকে সাতটি খিলান, দ্বিতীয় তলায় পাঁচটি, তৃতীয় তলায় তিনটি, আর সবচেয়ে ওপরের তলায় একটি করে খিলান ও গম্বুজ। বড় শিব মন্দিরের পাশেই জগন্নাথ বা রথ মন্দির, অষ্টভুজ ভিত্তির ওপর দোতলা এই মন্দিরটি নির্মাণ করেন ভুবনময়ী দেবী। টেরাকোটা ফলকগুলোতে শুধু রামায়ণ-মহাভারত নয়, স্থানীয় জীবন, নৃত্য, শিকার আর বন্যপ্রাণীর দৃশ্যও খোদাই করা আছে। বাঘ, হরিণ, উট, পাখি, এমনকি সম্ভবত বিলুপ্ত গণ্ডারের ছবিও ফলকে পাওয়া গেছে বলে গবেষকরা মনে করেন। রাজবাড়ির সম্মুখভাগে করিন্থীয় স্তম্ভ আর কেন্দ্রীয় অলংকৃত পেডিমেন্ট আজও অতীত জৌলুসের সাক্ষ্য বহন করে।
কীভাবে যাবেন
বাসে: ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী সরাসরি বাস আছে গাবতলী, কল্যাণপুরসহ বিভিন্ন টার্মিনাল থেকে। বিআরটিএর ২০২৬ সালের এপ্রিলের সংশোধিত ভাড়া তালিকা অনুযায়ী ঢাকা (গাবতলী) থেকে রাজশাহী নন-এসি বাসে ভাড়া ৭৭৭ টাকা (৫১ সিট) থেকে ৯৯১ টাকা (৪০ সিট), এসি কোচে বেশি। যাত্রায় সময় লাগে প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা। ট্রেনে: ঢাকা থেকে রাজশাহী রুটে সিল্কসিটি, পদ্মা ও ধূমকেতু এক্সপ্রেসসহ আন্তঃনগর ট্রেন চলে। ট্রেনে যাত্রা আরামদায়ক ও সময়ানুবর্তী, তবে আসন সীমিত বলে আগে থেকে টিকিট কাটুন। সময়সূচি ও ভাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করে নিন। রাজশাহী শহর থেকে পুঠিয়া: রেলস্টেশনের কাছের বাসস্ট্যান্ড থেকে পুঠিয়াগামী বাসে জনপ্রতি প্রায় ২০ টাকা ভাড়া, পুঠিয়া বাজার থেকে মূল চত্বর পর্যন্ত ভ্যানে ৪ থেকে ১০ টাকা। আরাম চাইলে রাজশাহী থেকে সিএনজি বা অটোরিকশা রিজার্ভ করে যান, ভাড়া আগে দরদাম করে নিন। পুঠিয়া ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পাশেই, নিজস্ব গাড়িতে গেলে পথ চিনতে অসুবিধা হয় না।
পুঠিয়ার সঙ্গে মিলিয়ে রাজশাহী শহর ও আশপাশের আরও কয়েকটি জায়গা ঘুরে আসা যায়। রাজশাহী শহরে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য অবশ্যদর্শনীয়, এখানে প্রাচীন বাংলার অসংখ্য প্রত্ননিদর্শন সংরক্ষিত আছে। বিকেলে পদ্মা নদীর পাড়ে বেড়ানো আর পদ্মা গার্ডেনে সময় কাটানো যায়। হাতে একদিন বেশি থাকলে রাজশাহী শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা মসজিদ দেখে আসুন। ১৫২৩ সালে বাংলার সুলতান নাসিরউদ্দিন নুসরত শাহের নির্মিত এই প্রাক-মুঘল মসজিদের ছবি একসময় ৫০ টাকার নোটের পেছনে ছিল।
খরচের ধারণা
মূল মন্দির চত্বরে ঘোরার জন্য সাধারণত কোনো প্রবেশ ফি লাগে না, তবে সক্রিয় মন্দিরগুলোতে সামান্য দান করা রেওয়াজ। পুঠিয়া রাজবাড়ি অংশে সামান্য টিকিট থাকতে পারে বলে বিভিন্ন ভ্রমণ নির্দেশিকায় উল্লেখ আছে, তবে ফি পরিবর্তনশীল, তাই যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নিন। ঢাকা থেকে একদিনের ভ্রমণে যাওয়া-আসার বাস বা ট্রেন ভাড়া, রাজশাহী থেকে পুঠিয়ায় যাতায়াত আর খাওয়া-দাওয়া মিলিয়ে জনপ্রতি খরচ হতে পারে প্রায় ২,০০০ থেকে ৩,৫০০ টাকা। রাজশাহীতে রাত্রিযাপন করলে হোটেল ভাড়া যোগ হবে, শহরে বিভিন্ন মানের হোটেল আছে। এই অঙ্কগুলো আনুমানিক, মৌসুম ও যানবাহনভেদে বদলায়। ভ্রমণের আগে বাস-ট্রেনের ভাড়া ও টিকিটের হালনাগাদ তথ্য অবশ্যই যাচাই করে নিন।
কোথায় থাকবেন
পুঠিয়ায় পর্যটকদের থাকার মতো হোটেল নেই বললেই চলে, তাই পুঠিয়া ঘোরা সবচেয়ে ভালো রাজশাহী থেকে দিনে গিয়ে দিনে ফেরার পরিকল্পনায়। রাজশাহী শহরে বিভিন্ন বাজেটের হোটেল, গেস্টহাউস আর আবাসিক হোটেল আছে। শহরের হোটেলগুলো থেকে গাড়ি ভাড়া করে পুঠিয়া যাওয়ার ব্যবস্থাও করা যায়, হোটেল কর্তৃপক্ষকে আগে জানিয়ে রাখলে সুবিধা হয়। যারা রাজশাহী অঞ্চলের আরও দর্শনীয় স্থান, যেমন বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বা পদ্মার পাড় দেখতে চান, তারা রাজশাহীতে এক-দুই রাত থেকে ধীরে ধীরে ঘুরতে পারেন।
কী খাবেন
পুঠিয়া বাজার এলাকায় ঝালমুড়ি খেয়ে দেখুন, স্থানীয়ভাবে এটি মাখানো সবজির বড়ার সঙ্গে পরিবেশন করা হয়, স্বাদে বেশ ঝাল ও মুখরোচক। চত্বরের আশপাশে ছোট চায়ের দোকানে সিঙ্গারা, পুরি আর মিষ্টি পাওয়া যায়। তবে পুঠিয়ায় বড় খাবারের হোটেল কম, তাই ভারী খাবারের জন্য রাজশাহী শহরে ফেরাই ভালো। রাজশাহীতে পদ্মা নদীর তাজা মাছের নানা পদ পাওয়া যায়, আর আমের মৌসুমে (জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ়) রাজশাহীর বিখ্যাত আম না খেয়ে ফেরা উচিত নয়। সঙ্গে হালকা নাশতা আর পানির বোতল রাখুন, চত্বরে ঘোরার সময় কাজে লাগবে।
যাওয়ার সেরা সময়
অক্টোবর থেকে মার্চ, অর্থাৎ শুষ্ক মৌসুম, পুঠিয়া ভ্রমণের সেরা সময়। এই সময় বৃষ্টির ঝামেলা নেই, আবহাওয়া শীতল ও আরামদায়ক, খোলা চত্বরে হেঁটে ঘোরা সহজ। গ্রীষ্মে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্রতায় দুপুরে ঘোরা কষ্টকর হয়। সকাল ৮টা থেকে ১০টা বা বিকেল ৩টার পর মন্দির চত্বরে আলো সবচেয়ে সুন্দর থাকে, টেরাকোটার খোদাই আর দিঘির পানিতে প্রতিবিম্ব ছবি তোলার জন্য আদর্শ। পূজা-পার্বণের সময় গেলে উৎসবের আমেজ পাবেন, তবে ভিড় বেশি থাকে।
টিপস ও সতর্কতা
মন্দির চত্বর ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থান, শালীন পোশাক পরুন এবং ভক্তদের প্রার্থনায় ব্যাঘাত ঘটাবেন না। টেরাকোটা ফলক অমূল্য প্রত্নসম্পদ, সেগুলোতে হাত দেবেন না, দেয়ালে কিছু লিখবেন না বা ভাঙা অংশ সরাবেন না। কিছু মন্দিরের অভ্যন্তরে প্রবেশ সংরক্ষণের কারণে সীমিত থাকতে পারে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলুন। চত্বরে ঘুরতে এক থেকে দুই ঘণ্টা লাগে, জাদুঘরসহ পুরো এলাকা ভালো করে দেখতে আধা বেলা রাখুন। রোদ থেকে বাঁচতে টুপি, সানগ্লাস আর পানি নিন। পুঠিয়ায় গণপরিবহন সীমিত, তাই ফেরার যানবাহনের ব্যবস্থা আগে থেকে ঠিক করে রাখুন, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর। আবর্জনা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলুন, দিঘির পাড় পরিষ্কার রাখুন।
প্রশ্ন: পুঠিয়া মন্দির চত্বরে কি টিকিট লাগে?
উত্তর: মূল মন্দির চত্বরে ঘোরার জন্য সাধারণত কোনো প্রবেশ ফি লাগে না। তবে রাজবাড়ি অংশে বা বিশেষ কোনো স্থানে সামান্য টিকিট থাকতে পারে, ফি পরিবর্তনশীল, তাই যাওয়ার আগে যাচাই করে নিন।
প্রশ্ন: পুঠিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত মন্দির কোনটি?
উত্তর: পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির টেরাকোটা শিল্পের জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত, আর শিব মন্দিরটি বাংলাদেশের বৃহত্তম শিব মন্দির হিসেবে পরিচিত। বড় আন্নিক মন্দিরের মিশ্র স্থাপত্যশৈলীও অনন্য।
প্রশ্ন: রাজশাহী থেকে পুঠিয়া কত দূর, কীভাবে যাব?
উত্তর: পুঠিয়া রাজশাহী শহর থেকে প্রায় ২৩ থেকে ৩০ কিলোমিটার পূর্বে, সড়কে ৪০ থেকে ৫০ মিনিট লাগে। রেলস্টেশনের কাছের বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে জনপ্রতি প্রায় ২০ টাকা, অথবা সিএনজি রিজার্ভ করে যাওয়া যায়।
প্রশ্ন: পুঠিয়ায় থাকার ব্যবস্থা আছে কি?
উত্তর: পুঠিয়ায় পর্যটকদের থাকার মতো হোটেল নেই বললেই চলে। দিনে গিয়ে দিনে ফেরাই সবচেয়ে সুবিধাজনক, রাত্রিযাপনের জন্য রাজশাহী শহরের হোটেলে থাকুন।
প্রশ্ন: পুঠিয়ার সব মন্দির ঘুরতে কত সময় লাগে?
উত্তর: মূল মন্দিরগুলো ঘুরে দেখতে এক থেকে দুই ঘণ্টা লাগে। চত্বরের ছোট জাদুঘর দেখতে আরও এক ঘণ্টা রাখুন। দিঘির পাড়ে বসে বিশ্রাম আর ছবি তোলাসহ আধা বেলা হাতে রাখাই ভালো।
প্রশ্ন: রাজবাড়ির ভেতরে ঢোকা যায় কি?
উত্তর: রাজবাড়িতে এখন পুঠিয়া ও আশপাশের ইতিহাস নিয়ে একটি ছোট জাদুঘর আছে, সেটি দর্শনার্থীরা দেখতে পারেন। তবে কিছু মন্দিরের অভ্যন্তরে সংরক্ষণকাজের কারণে প্রবেশ সীমিত থাকতে পারে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলুন।
